আলোর প্রতিফলন কাকে বলে ? আলোর প্রতিফলনের সূত্র কয়টি ও কি কি ?

আজকে আলোর প্রতিফলন কাকে বলে এবং আলোর প্রতিফলনের সূত্র সম্পর্কে প্রকারভেদ সহ বিস্তারিত আলোচনা করব।

কোনো স্বচ্ছ সমষত্ব মাধ্যমে আলোক রশ্মি সরল রেখায় চলে কিন্তু আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায় তখন সাধারণ ভাবে তিন ধরনের ঘটনা ঘটে।
কোনো স্বচ্ছ সমষত্ব মাধ্যমে আলোক রশ্মি সরল রেখায় চলে কিন্তু আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায় তখন সাধারণ ভাবে তিন ধরনের ঘটনা ঘটে। যথা:

  1. কিছু পরিমান আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে বা আলোর প্রতিফলন হয়।
  2. কিছু পরিমান আলো দ্বিতীয় মাধ্যম কর্তৃক শোষিত হয়।
  3. দ্বিতীয় মাধ্যম স্বচ্ছ হলে কিছু পরিমান আলো দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে বা আলোর প্রতিসরণ হয়।

আলোর প্রতিফলন কাকে বলে ?

আলো যখন বায়ু বা অন্য সচ্ছ মাধ্যের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সমায় কোনো মাধ্যমে বাধা পায় তখন দুই মাধ্যমের বিভেদ তল থেকে কিছু পরিমান আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে একে আলোর প্রতিফলন বলা হয়।

আলোর প্রতিফলনের সূত্র কয়টি ও কি কি ?

আপতিত আলো কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নিভর করে। যথা:

১. আপতিত আলো প্রতিফলকের উপর কত কোণে আপতিত হচ্ছে।
২. প্রথম ও দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রকৃতি।

 

আলোর প্রতিফলন কত প্রকার ও কি কি?

যে পৃষ্ঠ থেকে আলোক রশ্মি বাধা পেয়ে ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলা হয়।
প্রতিফলক পৃষ্ঠের প্রকৃতি অনুসারে আলোর প্রতিফলন দুই প্রকার। যথা:

১. নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন।
২. অনিয়মিত প্রতিফলন বা ব্যাপ্ত প্রতিফলন।

আলোর প্রতিফলন কাকে বলে আলোর প্রতিফলনের সূত্র

নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন কাকে বলে?

যদি এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর রশ্মি গুচ্ছ যদি সমান্তরাল থাকে বা অভিসারি বা অপসারী আলোক গুচ্ছে পরিণত হয় তবে আলোর সেই প্রতিফলনকে নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন বলা হয়।

প্রতিফলক পৃষ্ঠ মসৃণ হলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে। সমতল দর্পনে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন হয়। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি আলোক রশ্মির আপতন কোণ সমান এবং প্রতিফলন কোণগুলোও সমান হয়।

অনিয়মিত প্রতিফলন বা ব্যাপ্ত প্রতিফলন কাকে বলে?

যদি এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর রশ্মি গুচ্ছ যদি সমান্তরাল না থাকে বা অভিসারি বা অপসারী আলোক গুচ্ছে পরিণত না হয় তবে আলোর সেই প্রতিফলনকে নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন বলা হয়।

প্রতিফলক পৃষ্ঠ মসৃণ না হলে এরুপ ঘটে। এ ক্ষেত্রে সমান্তরাল রশ্মিগুলো প্রতিফলক পৃষ্ঠের বিভিন্ন বিন্দুতে বিভিন্ন কোণে আপতিত হয়, ফলে তাদের প্রতিফলন কোণও বিভিন্ন হয়। এতে প্রতিফলিত রশ্মিগুলো আর সমান্তরাল থাকে না, বিস্ফিপ্তভাবে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে? আলোর প্রতিসরণের সূত্ৰ গুলি কি কি?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top