পর্যায় সারণি কাকে বলে ? পর্যায় সারণি ছবি pdf

পর্যায় সারণি ছবি pdf দেওয়ার পূর্বে আমরা জানব পর্যায় সারণি কাকে বলে। পর্যায় সারণি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর আমরা মূল পাঠে যাব।

পর্যায় সারণি কাকে বলে

যে সারণীতে মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি পর্যায়ক্রমে আবর্তীত হয় তাকে পর্যায় সারণি বলা হয়।

নিচে পর্যায় সারণির ছবি দেওয়া হলো:

পর্যায় সারণি কাকে বলে পর্যায় সারণি ছবি pdf

আধুনিক পর্যায় সারণি ছবি pdf:

নিচে আধুনিক পর্যায় সারণি ছবি pdf দেওয়া হলো:

পর্যায় সারণি ছবি pdf

 

আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য

  1. পর্যায় সারণিতে 7টি পর্যায় (Period) বা আনুভূমিক সারি এবং 1৪টি গ্রুপ বা খাড়া স্তম্ভ রয়েছে।
  2. প্রতিটি পর্যায় বাম দিকে গ্রুপ 1 থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ 18 পর্যন্ত বিস্তৃত।
  3. মূল পর্যায় সারণির নিচে আলাদাভাবে ল্যান্থানাইড ও অ্যাকটিনাইড সারির মৌল হিসেবে দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে 6 এবং 7 পর্যায়ের অংশ।
  • পর্যায় 1 এ শুধু 2টি মৌল রয়েছে।
  • পর্যায় 2 এবং পর্যায় ও এ ৪টি করে মৌল রয়েছে।
  • পর্যায় 4 এবং পর্যায় 5 এ 1৪টি করে মৌল রয়েছে।
  • পর্যায় 6 এবং পর্যায় 7 এ 32টি করে মৌল রয়েছে।

5.

  • গ্রুপ 1 এ 7টি মৌল রয়েছে।
  • গ্রুপ 2 এ চটি মৌল রয়েছে।
  • গ্রুপ ও এ 32টি মৌল রয়েছে।
  • গ্রুপ 4 থেকে গ্রুপ 12 পর্যন্ত প্রত্যেকটি গ্রুপে এটি করে মৌল রয়েছে।
  • গ্রুপ 13 থেকে গ্রুপ 17 পর্যন্ত প্রত্যেকটিতে চটি করে মৌল রয়েছে।
  • গ্রুপ 18 এ 7টি মৌল রয়েছে।

মৌলগুলোর ধর্মের ভিত্তিতে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ করা যায়:

  1. একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানের দিকে গেলে মৌলসমূহের ধর্ম ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত হয়।
  2. একই গ্রুপের মৌলগুলোর ভৌত এবং রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকমের হয়।

 

আধুনিক পর্যায় সারণির সুবিধা

  1. রসায়ন পাঠ সহজীকরণ।
  2. নতুন মৌলের আবিষ্কার।
  3. গবেষণা ক্ষেত্রে।

রসায়ন পাঠ সহজীকরণ: 2016 সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে 118 টি মৌল আবিষ্কার করা হয়েছে। আবিষ্কৃত এই 118 টি মৌলের মোট 944 টি ধর্ম বা বৈশিষ্ট লক্ষ করা যায়। এত ধর্ম বা বৈশিষ্ট মনে রাখা অসম্ভব ব্যাপার। যেহেতু একটি গ্রুপের সকল মৌলের ধর্ম বা বৈশিষ্ট একই সেহেতু পর্যায় সারণির 18 টি গ্রুপের ধর্ম বা বৈশিষ্ট জানলে 118টি মৌলের ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে মোটামুটি ধারণা লাভ করা যায়।

নতুন মৌলের আবিষ্কার: পর্যায় সারণিতে সাতটি পর্যায় ও আঠারোটি গ্রুপ থাকা সত্যেও আনেক গুলো ঘর ফাঁকা ছিল। মৌলগুলো আবিষ্কার হওয়ার পূর্বে মৌলগুলোর ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া গিয়েছিল।

গবেষণা ক্ষেত্রে: গবেষণার ক্ষেত্রেও পর্যায় সারণির অনেক অবদান রয়েছে। একটি বিশেষ প্রয়োজনের জন্য নতুন একটি পদার্থ আবিষ্কার করতে চাইলে আগেই ধারণা করতে হবে যে, নতুন পদার্থটির ধর্ম কেমন হবে এবং সেই সকল ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করতে কী ধরনের মৌল প্রয়োজন হবে। আর এ ধারণা পর্যায় সারণি থেকেই পাওয়া যাবে।

 

আধুনিক পর্যায় সারণির পটভূমি

1789 সালে ল্যাভয়সিয়ে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, ফসফরাস, মার্কারি, জিংক এবং সালফার ইত্যাদি মৌলিক পদার্থসমূহকে ধাতু ও অধাতু এই দুই ভাগে ভাগ করেন ।

1829 সালে বিজ্ঞানী ডোবেরাইনার লক্ষ করেন তিনটি করে মৌলিক পদার্থ একই রকমের ধর্ম প্রদর্শন করে। তিনি প্রথমে পারমাণবিক ভর অনুসারে তিনটি করে মৌল সাজান। এরপর তিনি লক্ষ করেন দ্বিতীয় মৌলের পারমাণবিক ভর প্রথম ও তৃতীয় মৌলের পারমাণবিক ভরের যোগফলের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি, একে ডোবেরাইনারের ত্রয়ীসূত্র বলে।

1864 সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলসমূহের জন্য নিউল্যান্ড অষ্টক সূত্র নামে একটি সূত্র প্রদান করেন।

1869 সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ সকল মৌলের ধর্ম পর্যালোচনা করে একটি পর্যায় সূত্র প্রদান করেন। সূত্রটি হলো:

মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়

1913 সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।

 

Zn রঙিন যৌগ গঠন করে না কেন চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর?

sp সংকরণ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিটিলিন এর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর ?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top