স্নেলের সূত্র কী ? এর সাধারণ রূপ ব্যাখ্যা কর ? Snell’s Law

আলোর প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটিকে স্নেলের সূত্র (Snell’s Law) বলা হয়।

স্নেলের সূত্র কী Snell’s Law

স্নেল 1621 সালে আলোর প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই সূত্রটিকে স্নেলের সূত্র (Snell’s Law) বলা হয়। একে সাইন-এর সূত্রও বলে। স্নেল ছিলেন জার্মানির লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

আলোর প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্ৰ:

আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে তখন একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব থাকে।

স্নেলের সূত্র এর সাধারণ রূপ Generalised form of Snell’s Law

স্নেলের সূত্র Snell's Law

ধরা যাক, a ও b দুটি মাধ্যম। μa ও μb হল যথাক্রমে a ও b মাধ্যমের পরম প্রতিসরাঙ্ক এবং aμb হল a মাধ্যমের সাপেক্ষে b মাধ্যমের আপেক্ষিক প্রতিসরাঙ্ক।

μba=μbμb

এখন a মাধ্যম থেকে আলোক রশ্মি b মাধ্যমে প্রতিসরিত হলে এবং a মাধ্যমে আপতন কোণ i এবং b মাধ্যমে প্রতিসরণ কোণ r হলে ,

μba=sin isin r

সুতরাং

sin isin r=μbμa

μasini=μbsinr

এটি স্নেলের সূত্রের সাধারণ রূপ।

বিঃ দ্রঃ চিত্র AOB বিভেদ তল µ₁ ও µ2 প্রতিসরাঙ্কবিশিষ্ট দুটি মাধ্যমকে পৃথক করছে। এখন PO আপতিত রশ্মি এবং OQ প্রতিসরিত রশ্মিই হোক কিংবা QO আপতিত রশ্মি ও OP প্রতিসরিত রশ্মিই হোক অর্থাৎ আলোক রশ্মি প্রথম থেকে দ্বিতীয় মাধ্যম বা দ্বিতীয় থেকে প্রথম মাধ্যমে যাক না কেন স্নেলের সূত্রের সাধারণ রূপ

μ1sinθ1=μ2sinθ2

অর্থাৎ কোন মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক × অভিলম্বের সাথে ঐ মাধ্যমের আলোক রশ্মির কোণের সাইন = অপর মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক × অভিলম্বের সাথে ঐ মাধ্যমের আলোক রশ্মির কোণের সাইন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top